চাঁদাবাজি, সালিশ-বাণিজ্য, নিপীড়ন, নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে থাকার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, কেউ ‘মাথা’ দেখাতে চাইলেও বিএনপি করা যাবে না। দলের মধ্যে গ্রুপিং ও বিশ্বাসঘাতকতাও বরদাস্ত করা হবে না।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ভাতঘড়া দয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, মাদক ও জুয়া বন্ধে বিভিন্ন ইউনিয়নে সচেতনতা র্যালি করা হচ্ছে। কিন্তু দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে কেউ কেউ আজকের সমাবেশে সহযোগিতা করছেন না। দলের মধ্যে কোনো গ্রুপিং করা যাবে না। দলটি এখন ক্ষমতায় থাকায় বিএনপিতে যোগ দিতে আগ্রহী মানুষের কোনো কমতি থাকবে না। তবে দলের ভেতর থেকে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে তাদের কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি বলেন, গত নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে বেইমানি করেছে আমি তাদের চিনি। তারা কখনই আমার প্রতি অনুগ্রহ খুঁজে পাবে না।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, গ্রুপ করলে জামায়াত লাভবান হবে। তারা এই সুযোগ কাজে লাগাবে। বিভেদ চাই না, ঐক্য চাই।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের মধ্যে গ্রুপিং থাকলে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমন পরিস্থিতি হতে দেওয়া হবে না।