এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে সরকার আবারও অবৈধ সিন্ডিকেটের সুবিধার্থে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে নাহিদ বলেন, ‘অবৈধ সিন্ডিকেটের সুবিধার্থে সরকার আবারও গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়েছে। ফলে বিএনপি ক্ষমতায় আসার মাত্র আট মাসের মাথায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে দাম বাড়ানো হলেও এর পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি সরকার। কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোতে এখনো বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেক দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আরও উদ্বেগের বিষয় হলো সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার গ্যাস দেশের কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৭০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।’

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘সরকার সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের অযোগ্যতায় দেশের ১৮ কোটি মানুষ গুটি কয়েক কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের এই অযৌক্তিক ও অবৈধ মূল্যবৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা উচিত।’
এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, 12 কেজি সিলিন্ডারের দাম 1,837 টাকা থেকে 223 টাকা থেকে 2,600 টাকা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৫.৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯৪৪ টাকা, ১২.৫ কেজির দাম ২,১৪৬ টাকা, ১৫ কেজির দাম ২,৫৭৫ টাকা, ১৬ কেজির দাম ২,৭৪৭ টাকা, ১৮ কেজির দাম ৩,৪৩৪ টাকা, ২০ কেজির দাম ৪২,৩৭ টাকা। 25 কেজি 4,292 টাকা, 30 কেজি 5,150 টাকা, 33 কেজি 5,665 টাকা। ৩৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬ হাজার ৯ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৭ হাজার ৭২৬ টাকা।
বিইআরসি জানিয়েছে, সোমবার রাত ৮টা থেকে নতুন আদেশ কার্যকর হয়েছে।