বুলবুল হত্যা: তিন ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৪ সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

B3ea946a2d60c811bf49a66b2b570c71 6ae7213119acf B3ea946a2d60c811bf49a66b2b570c71 6ae7213119acf
B3ea946a2d60c811bf49a66b2b570c71 6ae7213119acf

রাজধানীর মিরপুরে দাঁতের চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল হত্যা মামলায় ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কর্মকর্তাকে সাক্ষ্য দিতে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। 

ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জাহিদুল ইসলামের আদালতে রবিবার (১ নভেম্বর) মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল।

তবে এদিন কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসেননি। এজন্য আদালত আগামী ১২ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন রেখেছেন। তিন ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কর্মকর্তাকে ওইদিন সাক্ষ্য দিতে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কথা জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া।

ঢাকার তৎকালীন ওই তিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হলেন—আতিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও মইনুল ইসলাম। তারা ঢাকার সিএমএম আদালতে থাকাকালে তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বেকর্ড করেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা হলেন- মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী সাক্ষ্য দেন। তিনি আসামি রাসেল হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন। এ মামলার ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

২০২২ সালের ২৭ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল। এ ঘটনায় তার স্ত্রী শাম্মী আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ওইদিনই মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিরা হলেন— মো. রায়হান ওরফে সোহেল আপন, রাসেল হোসেন হাওলাদার, আরিয়ান খান হৃদয়, সোলায়মান ও রিপন। তারা সবাই কারাগারে আছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আহমেদ মাহী বুলবুল দন্ত চিকিৎসক ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। তিনি ঠিকাদারির কাজে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য ২৭ মার্চ ভোর সোয়া ৫টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে রিকশায় শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে রওনা হন।

পশ্চিম কাজীপাড়ার নাভানা ফার্নিচার শোরুমের সামনে প্রধান সড়কের ওপর পৌঁছালে আসামি রিপন ও রাসেল রিকশাটির গতিরোধ করে এবং  তার কাছে যা যা আছে তা দিয়ে দিতে বলে। না দিলে সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করার ভয় দেখায়।

বুলবুল মোবাইল ফোন দিতে না চাওয়ায় রিপন তার ঊরুতে আঘাত করে জখম করে মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় বুলবুল গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে যান। ছিনতাইকারীরা চিকিৎসক বুলবুলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন ১৫০০ টাকায় বিক্রি করে। পরে তা পাঁচ ছিনতাইকারী ভাগ করে নেয়।

২০২৩ সালের ২৬ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু হয়।

Add a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Press Nation Bangladesh
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com