ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় যেকোনো মামলায় নিজেকে এক নম্বর আসামি করার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ অক্টোবর সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওসির বিরুদ্ধে কী ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা আমরা দেখার অপেক্ষায় আছি। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলেও জানান তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দেন তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ। থানায় ওসির সঙ্গে মৌখিক বাকবিতণ্ডার ঘটনায় পুলিশের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) খবর প্রকাশ্যে আসার পর রুমিন ফারহানা নিজের অবস্থান জানান।
জিডির প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা বলেন, এ ঘটনার ভিত্তিতে সরাইল থানায় মামলা হলে আমাকে ওই মামলার এক নম্বর আসামি করা হোক।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আরাফাতুল ইসলাম শনিবার সকালে নিশ্চিত করেছেন, গত বৃহস্পতিবারের ঘটনায় পুলিশের জিডি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা উল্লেখ করে একটি জিডি করা হয়েছে। এটা কোনো অভিযোগ নয়। উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ সাধারণত জিডি করে রাখে।
বৃহস্পতিবার রাতে দুর্গাপূজার সময় নিরাপত্তার অভাব এবং ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিতে সরাইল থানায় যান রুমিন ফারহানা। রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি ওসির কক্ষে অবস্থান করেন।
রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, দুর্গাপূজার সময় পূজা মণ্ডপে গেলে তাকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা থাকলেও ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া তার ব্যবস্থা করেননি। বিষয়টি জানতে পেরে ওসির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।