শিম আবাদ নিয়ে উদ্যান বিরোধের জেরে ভোলার লালমোহন উপজেলায় মো. ফিরোজ (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের দোকান এলাকার ‘ডাক্তার বাড়িতে’ তাকে মারধর করা হয়।
নিহত ফিরোজ ওই গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে। তিনি কলমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারও তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ফিরোজ একই বাড়ির কাজলের বাড়ির পাশে নিজের জমিতে একটি শিম গাছ রোপণ করে সেখানে বাঁশঝাড় রোপণ করেন। শুক্রবার বিকেলে জুমার নামাজের পর ঝোপ কাটলেন কাজলের স্ত্রী জান্নাত। ফিরোজ তাকে নামাজ পড়তে দেখে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে জান্নাতের স্বামী কাজল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিরোজকে মারধর শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে ফিরোজের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
অবশেষে ফিরোজের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। এরপর শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফিরোজের মৃত্যু হয়।
লালমোহন থানার এসআই মো. নুরুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাজলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।