জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: শেষ বারের মতো সময় পেলো আসামিপক্ষ

1be26e2df5ff20efa9cc9cac2cf7281a 6ae18c67bfa67 1be26e2df5ff20efa9cc9cac2cf7281a 6ae18c67bfa67
1be26e2df5ff20efa9cc9cac2cf7281a 6ae18c67bfa67

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ৮ নভেম্বর রেখেছে আদালত। 

আসামিপক্ষকে শেষ বারের মতো সময় দিয়ে ঢাকার ২০তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাজহারুল ইসলাম শুনানির পরবর্তী এ দিন রাখেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। তবে আসামি বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মো. মাহির রহমানের পক্ষে সময় আবেদন করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আইনজীবীদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই এবং সিনিয়র আইনজীবীরা দেশের বাইরে আছেন। আদালত শেষ বারের মতো সময় দিয়ে আগামী ৮ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।’ 

মামলার তিন আসামি কারাগারে রয়েছে। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। 

এর আগে দুই দফা অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পেছানো হয়। 

গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ছাত্রীকে পড়াতে গিয়ে খুন হন জোবায়েদ। সেদিন বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রীর বাসার নিচ তলায় জোবায়েদকে ছুরি মারা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।  

এ ঘটনায় দুইদিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে ২১ অক্টোবর বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রায় নয় মাস পর তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার এসআই মো. আশরাফ হোসেন। 

অভিযোগপত্রে জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মো. মাহির রহমান, মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী উঠে আসে। 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মো. জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মতো গত ১৯ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বংশাল থানাধীন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে নুর বক্স লেন এর ১৫ নম্বর হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রী জোবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে জানায়, জোবায়েদ স্যার, খুন হয়ে গেছে, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করে ফেলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান ৭টার দিকে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান। এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান। ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ওই ভবনের ৩য় তলার রুমের পূর্ব পার্শ্বে সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান। 

Add a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Press Nation Bangladesh