কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পুকুর থেকে কাঠের স্তূপ সরানোর পর একের পর এক সাপ বেরিয়ে এসেছে। দুই দিনে মোট ২২টি বিষধর সাপ পিটিয়ে মেরেছে স্থানীয় লোকজন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ও বৃহস্পতিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধনিয়াদৌল গ্রামের সামসু মাস্টারের বাড়ির পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে ধনিয়াদৌল গ্রামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র সাপে কামড়ে মারা যায়। ওই ঘটনার পর থেকে এলাকায় সাপের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে সামসু মাস্টারের বাড়ির পুকুরের পাশে কাঠের স্তূপের নিচে একটি বড় সাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। এ খবর জানাজানি হলে এলাকাবাসী সেখানে ভিড় জমায়। পরে তারা কাঠের স্তূপ সরিয়ে মাটি খুঁড়লে একের পর এক বাচ্চা সাপ বেরিয়ে আসে। সেখান থেকে একটি বড় মা সাপ ও ১৬টি সাপের বাচ্চা পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। এ সময় আরেকটি বড় সাপ গর্তে ঢুকে পালিয়ে যায়। এর আগে গত বুধবার রাতে একই স্থান থেকে আরও চারটি সাপের বাচ্চা মারা হয়। গত দুই দিনে ওই স্থান থেকে মোট ২২টি বিষধর সাপ মারা গেছে।
ধনিয়াদৌল গ্রামের ব্যবসায়ী আলী হোসেন জানান, গত সপ্তাহে এখানে সাপের কামড়ে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যুর পর সবাই আতঙ্কিত। এ পর্যন্ত ২২টি সাপ মেরেছে স্থানীয় লোকজন। মাটি খুঁড়তে গিয়ে সাপ চলে গেলে আতঙ্কের শেষ নেই।
ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক বলেন, বিষয়টি শুনেছি। স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। তার মতে, শীত ও গ্রীষ্মের মধ্যেই সাপের প্রজনন মৌসুম। এ সময় সাধারণত সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। এ সময় সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে।
