Homeজাতীয়সব পর্যটক নির্ধারিত...

সব পর্যটক নির্ধারিত সময়ের আগেই সাজেক ত্যাগ করেন

সেখানে অবস্থানরত সকল পর্যটক রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে সোমবার সাজেক পর্যটন কেন্দ্র ত্যাগ করেন। দুই দফায় মোট ১ হাজার ১৪১ জন পর্যটক সাজেক ছেড়ে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন। বর্তমানে সাজেতে কোনো পর্যটক নেই।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টার দিকে সাজেকের বিভিন্ন কটেজ ও রিসোর্টে অবস্থানরত ৮৫৮ জন পর্যটক এলাকা ছেড়েছেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আরো ২৮৩ জন পর্যটক সাজেক ত্যাগ করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় তাদের খাগড়াছড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণা দেববর্মন জানান, প্রশাসনের নির্দেশে এক দিন আগে সোমবার দুই দফায় সাজেকে অবস্থানরত সব পর্যটকরা এলাকা ছেড়েছেন। নতুন কোনো পর্যটককে সাজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সেখানে কোনো পর্যটক নেই।

তবে পর্যটন কেন্দ্রগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ সরকারি ছুটিতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সাজেকের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় গত রোববার সন্ধ্যা থেকে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সাময়িকভাবে পর্যটন কেন্দ্রটি বন্ধ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ত্যাগের নির্দেশ দিয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এর আগে রোববার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সাজেক জনঅধিকার সংরক্ষণ কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন। এতে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। পরে বেলা ৩টা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আন্দোলনকারীরা দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করতে রাজি হন। এরপর নিরাপত্তার মাধ্যমে আটকে পড়া পর্যটকদের খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়।

সুপর্ণা দেববর্মণ আরও জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২৪ অক্টোবর সরকারি ছুটির মধ্যে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজের সব কক্ষ অগ্রিম বুকিং করা ছিল। কিন্তু পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় কটেজ ও রিসোর্টের মালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পর্যটন ব্যবসায়ীদের লোকসানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি শীঘ্রই পর্যটকদের জন্য সাজেক পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়ার দাবি জানান।