Homeজাতীয়বাড়ি ফিরছে বাবা-মেয়ের...

বাড়ি ফিরছে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ, মা-ছেলে হাসপাতালে

নাটোরের বড়াইগ্রামে আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে বাস ও বালু বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক মাগুরা শাখার সিনিয়র ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম ও তার পাঁচ বছরের মেয়ে তাশফিয়া খাতুন নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম ও ছেলে মো. লাবিব

সোমবার বিকেলে আরপি নাইস পরিবহনের একটি বাসে করে তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। রুবিনা বেগম ও তার দুই সন্তান পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী থেকে বাসে ওঠেন। পরে মাগুরা থেকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন শহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে বনপাড়া-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরদারপাড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালু বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শহিদুল ও তার ছোট মেয়ে তাশফিয়াসহ মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত তাশফিয়া স্থানীয় নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল। আহত লাবিব সুবিদখালী আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালী শাখার সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নিহত বাবা-মেয়ের মরদেহ পটুয়াখালীর সুবিদখালীর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানান শহিদুলের চাচাতো ভাই সুজন হাওলাদার। যে বাড়িতে চারজনের একসঙ্গে হাসিমুখে পৌঁছানোর কথা ছিল, সেখানে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ আসার অপেক্ষায় স্বজনরা এখন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।